আজ - ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১, শনিবার, মে ১৮, ২০২৪ ০৭:০৮:২৫

বিশ্ব সভ্যতায় মুসলমানদের অনন্য অবদান (পর্ব - ১) | The Unique Contribution of Muslims to World Civilization (Part 1)

তামান্না ইসলাম
- শিক্ষার্থী,আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
27 Nov, 2021
The Bangla Reader

ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম শুধু একটি ধর্ম নয় এটি একটি জীবন ব্যবস্থাও বটে। ইসলাম পৃথিবীতে শান্তির বাণী নিয়ে এসেছিল হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর উপর পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিলের মাধ্যমে। ইসলাম মুসলিমদের জ্ঞান অর্জনের তাগিদ দিয়েছে। বিজ্ঞান, গণিত, ভূগোল, পদার্থবিদ্যা, জীববিজ্ঞান এবং রসায়নে ইসলামের অবদান অনেক। ইসলামের ইতিহাসে নবম থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দী ছিল বিজ্ঞান, ধর্মদর্শন এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়ার এক অনন্য সময়। এই কয়েক শতাব্দীতে মুসলিমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানে যে অভূতপূর্ব উন্নতি লাভ করেছে তা মানব ইতিহাসে নজিরবিহীন। আরব উপদ্বীপের শুষ্ক এবং উত্তপ্ত মরুভূমিতে জন্ম নিয়ে সুদূর স্পেন থেকে শুরু করে ভারতবর্ষ পর্যন্ত বিকশিত হওয়ায় ইসলামি সভ্যতা তখন অসংখ্য বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, ধর্ম এবং বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যের ধারকে পরিণত হয়। পূর্ববর্তী সভ্যতাগুলোর অবদানগুলোকে একত্রিত করে এবং সেই তথ্যগুলোর উপর নির্ভর করে বিজ্ঞানচর্চার এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। মুসলিম সাম্রাজ্যে তখন অসংখ্য জ্ঞানী মানুষের মিলনমেলা। ততদিনে মুসলিমদের মধ্যে বড় মানের জ্ঞানসাধকের আত্নপ্রকাশ ঘটেছে। এই জ্ঞানী মানুষগুলোর অবদানের ওপর নির্ভর করেই মুসলিম সভ্যতা পরিণত হয় প্রাচীন সভ্যতা এবং রেনেসাপ্রভাবিত ইউরোপীয় সংযোগস্থলে। মুসলিমরা সেইসময়ে যে কাজগুলো করেছে তার ওপর নির্ভর করে আধুনিক বিজ্ঞানের ভিত্তি রচিত হয়েছে।



আব্বাসীয় খিলাফাতের সময় রাজধানী ছিল বাগদাদ, যেখানে নানা ভাষা ও সংস্কৃতির মানুষ বসবাস করতো। নানা ধারার লোকজনকে একসাথে পাওয়ায় বাগদাদও পুরোনো সব সভ্যতার অনেক তথ্য ও ঐতিহ্য পেতে শুরু করে। সপ্তম আব্বাসীয় খলিফা আল মামুন জ্ঞানের অপরিহার্যতার কথা বিবেচনায় নিয়ে বাগদাদে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন যা "বায়তুল হিকমাহ" নামে পরিচিত। এই শিক্ষাকেন্দ্রের আওতায় একই জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয়, পাঠাগার, অনুবাদকেন্দ্র এবং গবেষণাগার স্থাপন করা হয়। উমাইয়া শাসনামলে কিছু ছোটখাটো পাঠাগার ও স্কুলের প্রচলন ছিল কিন্তু আব্বাসীয় শাসনামলে জ্ঞান অর্জনের ওপর যে পরিমাণ গুরুত্ব আরোপ করা হয় তা ইসলামের ইতিহাসে বিরল। ফলে মানব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারস্য, মিশর, ভারতবর্ষ ও বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য থেকে সেরা পন্ডিতরা একত্রিত হয়েছিলেন। ইসলামই একমাত্র জ্ঞান অর্জনের প্রতি এত গুরুত্ব দিয়েছে যা ইবাদাতের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মুসলিম বিজ্ঞানীরা এমন মানসিকতা লালন করতেন, তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও নিত্যনতুন আবিষ্কার করেছেন। এভাবেই জ্ঞানের রাজ্যে মুসলিমদের সোনালি যুগের সূচনা হয়।



গণিতঃ 

মুসলিম সোনালি যুগে গণিতের উপর যে ব্যাপক কাজ হয় তা মানব ইতিহাসে চিরস্নরণীয় হয়ে থাকবে। গণিতই বিজ্ঞানের সকল শাখার মূল। মুসলিম বিজ্ঞানীরা গণিতকে শুধু বিজ্ঞান নয় বরং একটি পবিত্র বিজ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করতেন। তারা মনে করতেন যে গণিতকে ভালোভাবে অনুধাবন করতে পারলে পৃথিবী এবং বিশ্বজগৎ পরিচালনার যাবতীয় সংখ্যাতত্ব সম্পর্কে ধারণা অর্জন করা সম্ভব। গণিতের মাধ্যমেই মহাকাশ এবং আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি অনুধাবন করা সম্ভব তারা মনে করতেন। তাই তারা গাণিতিক সুত্র জানা এবং গণিতচর্চা ধর্মচর্চার মতোই গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করতেন। ইসলামের সেই যুগে গণিতবিদদের মধ্যে শীর্ষে ছিলেন মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খাওয়ারিজমি। তিনি বিজ্ঞান ও গণিতের ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন তিনিই প্রথম ভারতীয় গাণিতিক পদ্ধতিকে আরবি ভাষায় প্রচলন করেন। এমনকি তিনি ভারতীয় গাণিতিক সংখ্যায় "শূন্য " সংখ্যাটিকে যোগ করেছেন যা গাণিতিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। আল খাওয়ারিজমির সবচেয়ে বড় অবদান হলো বীজগণিত। কীভাবে অ্যালজেবরা সমীকরণের মাধ্যমে সম্পদের উত্তরাধিকার ইস্যু থেকে শুরু করে ভূগোল পর্যন্ত সকল বিষয়কে সমাধান করা যায় তা তিনি তার বিখ্যাত গ্রন্থ " কিতাবুল মুখতাসার ফি হিসাবিল জাবর ওয়াল মুকাবালা -তে অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। 

আরেক বিখ্যাত গণিতজ্ঞ হলেন উমার খৈয়াম। তিনি কিউবিক সমীকরণসংক্রান্ত সমাধান করার জন্য বীজগাণিতিক কিছু সূচক বের করেন, দ্বিপদী তত্ত্বগুলো প্রণয়ন করেন। ফলে বীজগণিতে যোগ করার কাজটা অনেক সহজ হয়ে যায়। এগুলোর উপর ভর করেই পরবর্তী স্তরের বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি ও ক্যালকুলাসের ভিত্তি গড়ে উঠেছে। 

আল বাত্তানি ত্রিকোণমিতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান। ত্রিকোণমিতির ধারণা নিয়ে তারকার গতিপথ অনুধাবন করে পৃথিবীতে মানুষ তার অবস্থান নির্ণয় করতেও সক্ষম হয়। বর্তমান সময়ে আমরা যে জিপিএস ব্যবহার করছি তার শুরুটাও হয়েছিল ত্রিকোণমিতি দিয়ে যার মূল উদ্ভাবন ও বিকাশের কৃতিত্ব শুধু মুসলিমদের।



জ্যোতির্বিদ্যা বা মহাকাশ বিজ্ঞানঃ 

মুসলিমরা গণিতে যে বিশাল অগ্রগতি অর্জন করেছিল তার একটি বড় সুফল পাওয়া যায় মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে। সে যুগে মুসলিম গণিতবিদরা যে ফর্মুলা ও তত্ত্বগুলো দিয়ে গিয়েছিলেন, পরবর্তী সময়ে তারকারাজি ও নক্ষত্র নিয়ে গবেষণার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। ইসলামের চেতনা ও ঈমানের নানা দৃষ্টিভঙ্গি মুসলিমদের কাজ করতে উজ্জ্বীবিত করেছে। পবিত্র কুরআনে অসংখ্য আয়াতে নভোমণ্ডল, তারকা, গ্রহ আর উপগ্রহের আবর্তন এবং কার্যক্রমের কথা বলা হয়েছে। কুরআন হাকিমের নির্দেশনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে মুসলিম বিজ্ঞানীরা সর্বপ্রথম মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে কাজ শুরু করেন। মুসলিম বিজ্ঞানীরাই সর্বপ্রথম জ্যোতির্বিদ্যাকে জ্যোতিষশাস্ত্র থেকে আলাদা করতে সক্ষম হন। গ্রিক জ্যোতির্বিদ টলেমির সকল সূত্রের মূল ছিল ভূকেন্দ্রিকতার বিষয়টি। এই তত্ত্ব অনুযায়ী পৃথিবীর কোনো গতি নেই। কিন্তু মুসলিম গবেষকেরা গবেষণা করে দেখতে পায় যে, টলেমির দেওয়া তত্ত্ব সম্পূর্ণ ভুল। একাদশ শতাব্দীতে আল বিরুনি বলেন যে পৃথিবী প্রতিমুহূর্তে নিজ কক্ষপথের ওপর আবর্তন করছে। এক পর্যায়ে মুসলিম জ্যোতির্বিদদের ধারণাগুলো গোটা ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেগুলোর উপর ভিত্তি করে কোপারনিকাস বা গ্যালিলিওয়ের মতো মহাকাশবিজ্ঞানীদের আবির্ভূত হয় এবং বিভিন্ন তত্ত্ব সংযোজন করেন। মুসলিমদের সময়ই মহাকাশ পরিমাপক যন্ত্রের বিকাশ ঘটে। এর মাধ্যমে জাহাজের গতিবিধি এবং সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা সহজ হয়। 



রসায়নশাস্ত্রঃ 

ইসলামের আগমনের পূর্বে রসায়ন বিজ্ঞান হিসেবে পরিচিত ছিল না, উপায় উপকরণের মাধ্যম হিসেবে রসায়ন চর্চা করা হতো। রসায়নকে সর্বপ্রথম বিজ্ঞান হিসেবে মুসলমানরাই প্রতিষ্ঠিত করেন। মুসলমানদের রসায়ন চর্চার মূল উপজীব্য গ্রন্থ হল আল-কুরআন। কারন পবিত্র কুরআন মাজীদ সর্বাধুনিক বিজ্ঞানময় ধর্মীয় মহাগ্রন্থ। ফ্রান্সের বিখ্যাত চিকিৎসক ড. মুরিস বুকাইলি The Bible the Quran and Science গ্রন্থে লিখেছেন, ‘আল-কুরআনে প্রচুর বৈজ্ঞানীক তথ্য ও উক্তি রয়েছে। এসব বাণী অবতীর্ণ ও সংকলিত হয়েছে তেরশ বছর আগে। আল-কুরআনের বিভিন্নমুখী বৈজ্ঞানীক তথ্যাবলি আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে কিভাবে এত সমঞ্জস্যশীল হল তা বিস্ময়ের ব্যাপার। জাবের ইবনে হাইয়ান আধুনিক রসায়নের প্রবর্তক। তার আগে রসায়ন পূর্ণাঙ্গ বিজ্ঞান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল না। তিনি কঠোর পরিশ্রম, ব্যাপক অনুসন্ধান, বিস্তর গবেষনা এবং দীর্ঘ অধ্যাবসায়ের মধ্য দিয়ে রসায়নের শাখা-প্রশাখাগুলোকে বিণ্যস্ত করেন। তিনি রসায়ন শাস্ত্রের সকল প্রক্রিয়াগুলোর সাথে বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। পূর্বের প্রক্রিয়াগুলোকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সংস্কার ও পরিমার্জন করে নিজের আবিষ্কৃত প্রক্রিয়াগুলোকে সুসংগঠিত ও শৃংখলতি করে তোলেন। একটি বস্তুর প্রাণ থেকে কিভাবে ক্লেদ বের করা যায়, কি করে বস্তুটির দেহ শুদ্ধ করা যাবে, কেমন করে পরিশুদ্ধ দেহকে তরল করা হয় এবং পরিশেষে পরিশুদ্ধ তরল দেহের সাথে কিভাবে প্রাণকে মিলিয়ে দেয়া যাবে, তা তিনি বিশদ ভাবে তার রসায়ন বিষয়ক গ্রন্থগুলোতে আলোচনা করেছেন। জাবের ইবনে হাইয়ানের পর মুসলিম রসায়নবিদ হিসেবে আবির্ভূত হন আবু বকর আল রাযী। চিকিৎসাশাস্ত্রের পাশাপাশি রসায়ন এবং পদার্থ বিদ্যায় তার অবদান অপার ও অসীম। তিনি সর্বপ্রথম ‘সালফিউরিক এসিড’ আবিষ্কার করেন। হাউড্রোজেন এবং সালফেটের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সালফিউরিক এসিড তৈরি হয়। সার উৎপাদনে এটি একটি মূল্যবান উপাদান। এছাড়াও রং, ওষুধ, কিটনাশক, পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক প্রভৃতি তৈরিতে প্রচুর পরিমানে সালফিউরিক এসিড প্রয়োজন হয়। আল-বেরুনী আবু বকর আল-রাযীর ১২টি রসায়ন বিষয়ক বইয়ের কথা উল্লেখ করেছেন । এছাড়াও মুসলিম সোনালি দিনগুলোতে আরো অসংখ্য মুসলিম রসায়নবিদগণ নিজেদের গবেষণা দিয়ে রসায়নের জ্ঞানের জগতকে সমৃদ্ধশীল করেছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েক জন হলেন, আব্বাস ইবনে ফিরনাস (৮১০-৮৮৭ খ্রি.)। তিনি আবিষ্কারক, প্রকৌশলী এবং উড্ডয়ন বিশারদ ছিলেন। আবু বকর আহমদ ইবনে আলী ইবনে কায়েস আন-নাবতী (মৃ. ৯৩০ খ্রি.)। তিনি ইবনে ওয়াহশিয়া নামে অধিক পরিচিত। ইরাকে জন্ম গ্রহণকারী এই মুসলমি রসায়নবিদের রসায়ন বিষয়ক শ্রেষ্ঠ রচনা ‘উসুলুল কাবির’। মুহাম্মাদ ইবনে ইমায়েল আল-তাতিমী (৯০০-৯৬০ খ্রি.), আল-মাজরিতি (৯৫০-১০০৭ খ্রি.), আবুল মানসুর মুয়াফফাক হারবী, ইবনে আবদুল মালেক আল-কাসী, ইবনে জাহিয, ইবনে রাসসাম প্রমূখ।



ইতিহাসে অবদানঃ

ইতিহাস বিশ্বসভ্যতার একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ইতিহাস হলো অতীতের দর্পণ। ইসলামী সভ্যতা বিকাশ লাভের পর মুসলমানরা ইতিহাস পাঠ, অধ্যয়ন, সঙ্কলন ও লিপিবদ্ধকরণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। হযরত মোহাম্মদ (সা.) জীবনী এবং হাদিস সঙ্কলনের আগ্রহ থেকে মুসলমানদের মধ্যে ইতিহাস বিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কোরআন মাজীদ ও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। আল-কোরআনে নবী-রাসুলদের বহু জীবনী উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও মুসলমানদের ইতিহাস সঙ্কলনে অনুপ্রেরণা জোগায়।

দর্শনে অবদান

দর্শন শব্দটি মূলত গ্রিক ভাষার ‘ফিলোসোফিয়া’ শব্দ থেকে আগত। দর্শন জ্ঞানের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ শাখা। দর্শনের ধারণা চেতনা ও শিক্ষা সভ্যতা বিনির্মাণে অনন্য অবদান রেখেছে মুসলমানরা। দর্শন শাস্ত্রের বিস্তৃত মাঠজুড়ে মুসলমানদের সমৃদ্ধ ফসলের চাষবাস। কোরআন এবং হাদিস হলো মুসলিমদের দর্শনের মূল ভিত্তি।



মুসলমান দের এই অবদান গুলো সারা পৃথিবীর সভ্যতার সূচক ও বাহক হিসেবে পরিগণিত হয়। আধুনিক বিশ্ব বিনির্মাণে মুসলমানদের অবদান এত সহজেই শেষ করা যায় না, আগামী পর্বে মুসলমানদের সাহিত্যে অবদান, আইনের ক্ষেত্রে অবদান, ভূগোল ক্ষেত্রে অবদান, চিকিৎসাশাস্ত্র, পর্দাথবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যায় অবদান ইত্যাদি আরো নানান অবদান গুলোর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অবশ্যই ওয়েবসাইটে চোখ রাখুন।


আপনি ও আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করতে পাড়েন, আপনার যে কোন লিখা বা অনুরোধ বা উপহার আমাদের নিকট পৌছাতে মেইল করুন – contact@thebagnareader.com এই ঠিকানায় অথবা আমাদের ফেইসবুক পেজে fb.com/thebanglareader  মেসেজ এর মাধ্যমে যোগাযোগ করুন



রিলেটেড পোস্ট / আরো পড়ুন

Subscribe to our newsletter

Join our monthly newsletter and never miss out on new stories and promotions.